সোমবার ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান যারা মানতে পারে না তারাই ভারতীয় পণ্য বর্জনের স্লোগান দেয়। যেহেতু পেঁয়াজের দাম কমেছে, জিনিসপত্রের দাম কমেছে, মানুষ একটু স্বস্তিতে আছে– এখন তারা ভারতের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ সুখে থাকুক ভালো থাকুক বিএনপি তা চায় না। শনিবার (৩০ মার্চ) বিকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বানিয়াফৈর এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় ছত্রী সেনা অবতরণের স্থানে স্মৃতিফলক ও মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মাণে জায়গা পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিজ্ঞাপন আরও পড়ুন ৭০ টাকা কেজির তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, ক্রেতাদের ভিড় মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কাদেরিয়া বাহিনীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ সৌর্য-বীর্য ও অসীম সাহসিকতার জন্য হানাদার বাহিনীর কাছে মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে ওঠে। মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ভারতে গিয়ে ট্রেনিং নিয়ে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। আর কাদেরিয়া বাহিনীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে যুদ্ধ করেছে। ট্রেনিং নিয়ে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করা আর শত্রুর অস্ত্র কেড়ে নিয়ে যুদ্ধ করা কিন্তু এক বিষয় নয়। কাদেরিয়া বাহিনীর বীরত্বগাথা ওই সময় দেশ-বিদেশে প্রচার ও প্রকাশিত এবং প্রশংসিত হয়েছে। আরও পড়ুন টাঙ্গাইলে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের কোরআন শরীফ উপহার এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। এরআগে, মন্ত্রী দুপুরে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাসে কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শনে এসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কমান্ডার ইন চীফ ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে কাদেরিয়া বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তমের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, যুগ্ম-সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আহমেদ শুভ এমপি, জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪ | প্রিন্ট

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান যারা মানতে পারে না তারাই ভারতীয় পণ্য বর্জনের স্লোগান দেয়। যেহেতু পেঁয়াজের দাম কমেছে, জিনিসপত্রের দাম কমেছে, মানুষ একটু স্বস্তিতে আছে– এখন তারা ভারতের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ সুখে থাকুক ভালো থাকুক বিএনপি তা চায় না।  শনিবার (৩০ মার্চ) বিকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বানিয়াফৈর এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় ছত্রী সেনা অবতরণের স্থানে স্মৃতিফলক ও মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মাণে জায়গা পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।   বিজ্ঞাপন  আরও পড়ুন ৭০ টাকা কেজির তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, ক্রেতাদের ভিড় মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কাদেরিয়া বাহিনীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ সৌর্য-বীর্য ও অসীম সাহসিকতার জন্য হানাদার বাহিনীর কাছে মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে ওঠে।  মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ভারতে গিয়ে ট্রেনিং নিয়ে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। আর কাদেরিয়া বাহিনীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে যুদ্ধ করেছে। ট্রেনিং নিয়ে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করা আর শত্রুর অস্ত্র কেড়ে নিয়ে যুদ্ধ করা কিন্তু এক বিষয় নয়। কাদেরিয়া বাহিনীর বীরত্বগাথা ওই সময় দেশ-বিদেশে প্রচার ও প্রকাশিত এবং প্রশংসিত হয়েছে।  আরও পড়ুন টাঙ্গাইলে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের কোরআন শরীফ উপহার এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। এরআগে, মন্ত্রী দুপুরে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাসে কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শনে এসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।  মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কমান্ডার ইন চীফ ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে কাদেরিয়া বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তমের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, যুগ্ম-সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আহমেদ শুভ এমপি, জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) প্রমুখ।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের কারণে আগের চেয়ে দ্রব্যমূল্য এখন অনেকটাই কমছে। মনিটরিংয়ের কারণে বর্তমানে ৮০০ টাকার তরমুজ আজকে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা থেকে ৫৯৫ টাকায় এবং ১০০ টাকার বেগুন ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে, না হলে পাগলা ঘোড়ার মতো দাম বাড়তো।

শনিবার দুপুরে রংপুর মহানগরীর সিটি বাজার মনিটরিং ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্যতেলের গুণগত মান নিশ্চিতকরণে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব বলেন।

ভোক্তার ডিজি বলেন, পবিত্র মাহে রমজানে উত্তরাঞ্চলে দ্রব্যমূল্য কেন বাড়ছে সেই বিষয়ে মনিটরিংয়ে আমরা এসেছি। তাছাড়া আমরা বাজারে আসলে দাম কমে, চলে গেলে আবার দাম বাড়ে এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য বাজার মনিটরিং করছি। অন্যান্য জেলায় এই মনিটরিং করা হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রেজাউল ইসলাম মিলন প্রমুখ।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১৫:৪৩ | শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

Swadhindesh -স্বাধীনদেশ |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
Advisory Editor
Professor Abdul Quadir Saleh
Editor
Advocate Md Obaydul Kabir
যোগাযোগ

Bangladesh : Moghbazar, Ramna, Dhaka -1217

ফোন : Europe Office: 560 Coventry Road, Small Heath, Birmingham, B10 0UN,

E-mail: news@swadhindesh.com, swadhindesh24@gmail.com