বুধবার ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে কোরআন চর্চায় অসুবিধা কোথায়, প্রশ্ন চরমোনাই পীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪ | প্রিন্ট

ঢাবিতে কোরআন চর্চায় অসুবিধা কোথায়, প্রশ্ন চরমোনাই পীরের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআনের ক্লাস নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করছে তাদের থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআন নাজিলের মাসে কোরআন শিক্ষার আসর করলে যাদের গায়ে জ্বালা ধরে এরা মুসলমান নামের পশু। ঢাবিতে আরবি বিভাগ আছে, সেখানে আরবি চর্চা হলে সমস্যা কোথায়? মুসলমানের দানকৃত জায়গায় প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেলিন, কালমার্কসসহ অন্যান্য ধর্ম চর্চা হতে পারলে কোরআন চর্চায় অসুবিধা কোথায়।’

রোববার (১৭ মার্চ) বরিশালের চরমোনাই মাদরাসায় ১৫ দিনব্যাপী বিশেষ তালিম তারবিয়াতের ৬ষ্ঠ দিনের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, ‘ঢাবিতে কোরআনের ক্লাস নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে, তাদের থামান। অন্যথায় ধৈয্যের সীমা আছে, ইসলাম চর্চা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ঈমানদার জনতা নীরবে বসে থাকবে না।’

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘মাহে রমজানের শিক্ষা নিয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখতে হবে। রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস। কোরআন নাজিলের কারণেই এ মাসের এত মাহাত্ম্য। মানব জীবনের সফলতা ফিরে পেতে হলে তাকওয়াপূর্ণ সমাজ গঠন করতে হবে। আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠন করতে হবে। মাহে রমাজন সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানব জাতিকে আল্লাহর রঙে রঙিন হয়ে মানব কল্যাণে ব্রত হওয়ার শিক্ষা দেয়।

রেজাউল করীম বলেন, ‘যে ব্যক্তি এ মহান মাস পাওয়ার পরও নিজের গুনাহরাশি মাফ করিয়ে আল্লাহর নিকটবর্তী বান্দা হতে পারেনি, রমজান তার জীবনে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

চরমোনাই পীর বলেন, ‘রমজান এলেই একশ্রেণির মানুষ রমজানের প্রতি অসম্মান করতে উঠেপড়ে লেগে যায়। এরা মানুষকে বিভিন্নভাবে কষ্ট য়ে, মজুদদারি করে কষ্ট দেয়, ইফতারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঈমানদার মানুষকে কষ্ট দেয়। ইফতারের আগে রোজাদার নিরীহ ছাত্রদের রক্তাক্ত করে কষ্ট দেয়। মনে রাখবেন এরা অচিরেই আল্লাহর গজবে পতিত হবে।’

রেজাউল করীম বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য, যারা রোজাদার মানুষকে যেভাবেই হোক কষ্ট দেয়, তারা আল্লাহর আজাব-গজবের অপেক্ষায় আছে।

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘রমজান এমন এক মাস যে মাসে খাবারের কোনো হিসাব নেই। অনেক মানুষ রমজান এলে মিতব্যয়িতার ভান ধরে ইফতারের বরাদ্দ বাতিল করে, এরা ইসলাম ও মানবতার দুশমন। অথচ দেশের সম্পদ লুটপাট হয়ে যাচ্ছে, বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, ব্যাংকে সোনা রাখলে রূপা হয়ে যায়। সেদিকে কারো কোন ভ্রক্ষেপ নেই।’

অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, চরমোনাই ইউপি চেয়ারম্যান মুফতী জিয়াউল করীম ছাড়াও চরমোনাই দরবারের খলিফারা বয়ান করেন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১০:৩৪ | রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

Swadhindesh -স্বাধীনদেশ |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
Advisory Editor
Professor Abdul Quadir Saleh
Editor
Advocate Md Obaydul Kabir
যোগাযোগ

Bangladesh : Moghbazar, Ramna, Dhaka -1217

ফোন : Europe Office: 560 Coventry Road, Small Heath, Birmingham, B10 0UN,

E-mail: news@swadhindesh.com, swadhindesh24@gmail.com