| মঙ্গলবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৩ | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক : লঞ্চ ও ফেরি ডুবিয়ে দেয়ার নির্দেশের তথ্য আছে আমাদের কাছে। তথ্য-প্রযুক্তির যুগে এসব লুকিয়ে রাখা যায় না।
আজ মঙ্গলবার গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানা কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
নাশকতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিতভাবে দাঁড়ালে কেউ আগুন নিয়ে খেলার সাহস পাবে না।
তিনি বলেন, পরিকল্পনা করে এই ধ্বংস চালানো হয়েছে। এটা পূর্বপরিকল্পিত। যারা এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তাদের আমরা ছাড়বো না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, পোশাক কারখানায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি মালিক ও শ্রমিকদেরও ছোট ছোটা গ্রুপ করে কারখানায় পাহারার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরামউদ্দিন আহমদ ও সাবেক সভাপতি আনিসুল হক, পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন বাবলু ও স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক নিহত হয়েছে মসজিদের মাইকে এমন গুজব ছড়িয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ৭টি কারখানায় শ্রমিকরা ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। এতে আগুনে বৈদ্যুতিক, স্যানেটারী ও ডেকোরেশন, সকল প্রকার সুইং কাটিং, ফিনিশং ও অন্যান্য মেশিনারীজ, সকল ফ্লোরের চেয়ার, টেবিল, আলমারী, সেলফ, কাঁচামাল, রপ্তানী উপযুক্ত ও উত্পাদন প্রক্রিয়ায় থাকা কাঁচামাল, ১৯টি কাভার্ড ভ্যান, ৪টি মাইক্রোবাস ও সকল ভবন ভাংচুর করে অগ্নি সংযোগ করলে এগুলো সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। সম্পূর্ণ কারখানাটি একটি ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়। এতে ক্ষতির পরিমাণ ১ হাজার ২ শ ২ কোটি টাকা।
Posted ১১:৫৪ | মঙ্গলবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৩
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin