| মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৪ | প্রিন্ট
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কালীপূজার আসরে মদ খেয়ে নাচানাচি করায় বাধা দেয়ায় পূজামণ্ডপ ও মূর্তি ভাংচুর করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ছেলেরা। এ সময় তারা পূজা কমিটির ২ জনকে পিটিয়েও আহত করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতাররা হলো গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা রকমান মেম্বারের ছেলে আপেল মিয়া, শ্রমিক লীগের ৭নং ওয়ার্ডের নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে পনির মিয়া, আসকর আলী মৃধার ছেলে সেরাজউদ্দিন মৃধা ও আউয়াল ভূঁইয়ার ছেলে মোফাজ্জল ভূঁইয়া।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট মণিপাড়া কালী পূজামণ্ডপে। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
কালী পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি কালিপদ দাসের ছেলে বাদল দাস জানান, সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে কালীপূজা চলাকালীন মদ্যপ অবস্থায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেদের নেতৃত্বে আপেল, ফারুক মিয়া, রোমান মিয়া, আল আমিন, শান্ত, পনির, সেরাজউদ্দিন, মোফাজ্জলসহ ১৫ থেকে ২০ জন মণ্ডপে জোর করে নাচানাচি করতে থাকে।
এ সময় বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা বাদল ও নয়ন নামে দুজনকে পিটিয়ে আহত করে। এক পর্যায়ে তারা মন্দিরের ভেতরে ঢুকে চারটি প্রতিমা, মন্দিরের লাইট ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় তারা পূজার জন্য রাখা প্রসাদ ফেলে দেয়। এতে স্থানীয় সংখ্যালঘুদের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কালীপূজার উত্সবে নৃত্য করাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা পূজামণ্ডপে হামলা ও প্রতিমা ভাংচুর করে। বাধা দেয়ায় পূজা কমিটির ২ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট মণিপাড়া কালীপূজা মণ্ডপে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা রকমান মেম্বারের ছেলে আপেল মিয়া, শ্রমিক লীগের ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে পনির মিয়া, আসকর আলী মৃধার ছেলে সেরাজউদ্দিন মৃধা ও আউয়াল ভুঁইয়ার ছেলে মোফাজ্জল ভুঁইয়া।
রূপগঞ্জ থানার ওসি আসাদুজ্জামান মীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
Posted ১০:৫৯ | মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৪
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin