| শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ | প্রিন্ট
ঢাকা : বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে গণতান্ত্রিক পথে ফিরে আসতে হবে বলে বিএনপি-জামায়াতকে হুঁশিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
বিএনপি-জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, “যত বড় মুরব্বি থাকুক না কেন? যত বড় শক্তি তাদের পাশে থাকুক না কেন সন্ত্রাসী জঙ্গিবাদীদের কেউ রক্ষা করতে পারবে না।”
শনিবার বিকেলে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে যা প্রয়োজন আমরা তা করবো, করে যাচ্ছি। বাংলাদেশে সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে।”
তিনি বলেন, “বিএনপির সঙ্গে জামায়াত আছে। বিএনপি অপরাধীদের সঙ্গে আছে। অপরাধ সংগঠনই তাদের কাজ। সুতরাং তারা অপরাধ করবে এটাই স্বাভাবিক।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের এখন অনেক দায়িত্ব। আমাদের জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়াতে হবে।”
সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জড়িত অভিযোগ করে তিনি বলেন, “সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা দেখে আমার ২০০১ সালের কথা মনে পড়ে যায়। তারা এবার নির্বাচনে আসেনি তাতেই এই অবস্থা। নির্বাচনে এলে, আল্লাহ না করুক তারা ক্ষমতায় এলে দ্বিগুণ আক্রমণ হতো। নিরীহ মানুষগুলোর অপরাধ কী? ভোট দেয়াই কি তাদের অপরাধ।”
সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় ক্ষতিপূরণে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “হামলার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ঘরের ডিজাইনও করে দিয়েছি। মোটামুটিভাবে ছয় ইঞ্চি গাঁথুনি ও টিনের চালের ঘর তৈরি করতে বলেছি। তাদের স্যানিটারি ল্যাট্রিন করে দেয়া হবে।”
বিএনপি-জামায়াত হত্যার উৎসব করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি বলেন, “তারা নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে পেট্রল ঢেলে মানুষ হত্যা করেছে। কেউ তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। এমনকি গুরু ভর্তি গাড়িতেও তারা পেট্রল দিয়ে আগুন দিয়েছে। তারা তাদের আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে পারেনি। তারা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড করেছে।’
সরকার শপথ গ্রহণের পর দেশে স্বস্তি ফিরে এসেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সরকার গঠনের পর বিশেষ করে শপথ গ্রহণের পর দেশে স্বস্তি ফিরে এসেছে। যদিও বিএনপি নেত্রীর জনগণের শান্তি দেখলে ভালো লাগে না।” সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা দিকে শুরু হওয়া এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের প্রায় সব সদস্যই উপস্থিত ছিলেন।
Posted ১৮:১৩ | শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৪
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin