| মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ | প্রিন্ট

মো; আব্দুল হালিম, ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহে বিএনপি ও পুলিশের মাঝে সংঘর্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় টিয়ারসেল ও গুলি নিক্ষেপে শহরের চড়পাড়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সোমবার দুপুরে এ সংঘর্ষে আহত হয় কমপক্ষে ১০জন। এ ঘটনায় শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ও দলীয় সূত্র জানায়, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ গেইট এলাকায় ৮৩ ঘন্টার অবরোধের তৃতীয় দিনে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ আলমের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। এ সময় বিএনপি নেতা শামীম তালুকদার, মহিলা দলের সভানেত্রী অধ্যাপিকা রায়হানা ফারুক, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম বাদল, জগলুল হায়দার, জেলা তাতীঁ দলের যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন খান, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সোহেল খান, এজিএস রাসেল চৌধুরী, জিএস মাহাবুব প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র মতে, এ মিছিলের পাশ ঘেঁষে কয়েকটি টেম্পু অবরোধকারীদের অতিক্রম করতে চাইলে বিক্ষোব্ধ নেতা-কর্মীরা কমপক্ষে ৬ টি টেম্পু ও একটি মাহেন্দ্র ভাংচুর করে উল্টে দেয়। এ সময় পুলিশ অবরোধকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারসেল ও কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে দু’পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বেঁধে যায়। এতে বিএনপি’র প্রায় ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কারো নাম জানা যায়নি। এ সংর্ঘষ চলাকালে ৪ থেকে ৫টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনার জের ধরে বিক্ষোব্ধ নেতা-কর্মীরা শহরের মরাখলা এলাকায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ৪ টি ট্রাক ভাংচুর ও একটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীরা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ জানান, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম। কিন্তু পুলিশের উস্কানী ও লাঠি চার্জেই এ ঘটনা ঘটেছে। রাজপথেই এর দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।’ এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সরোয়ার জানান, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
Posted ০০:০৬ | মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin