| মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক পরিসরে আলোচিত-সমালোচিত নিজের কথার পুনরাবৃত্তি করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, ‘একবার বলেছিলাম- বাঘে ধরছে ছাড়ে কিন্তু হাসিনা ধরলে ছাড়ে না। আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনা করেই ছাড়বেন।’ তিনি মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের সামনে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের প্রতিবাদ সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় সুরঞ্জিত বিরোধী দলকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘শেখ হাসিনা বলেছেন নির্বাচন তিনি করবেন, এটি হবেই। আপনারা ভালো হয়ে যান। না হলে আপনারাও রেহাই পাবেন না।’ নির্বাচনে বিদেশিদের পর্যবেক্ষক না পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো পর্যবেক্ষক দরকার নেই। কে তাদের দাওয়াত দিতে গেছে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে? আমরাই আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব।’
এ সময় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর একাদশ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে উল্লেখ করে সুরঞ্জিত বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে আমরা এখন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে পারি। কিন্তু শর্ত হলো- জামায়াতকে আপনাদের তালাক দিতে হবে। তারা যদি এতে রাজি হন, তাহলেই আমরা এ নিয়ে চিন্তা করব।’
সমাবেশ থেকে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করতে খালেদা জিয়াকে সময় বেধে দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম। খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনি কি আল্টিমেটাম দিবেন। আমরা আপনাকে আল্টিমেটাম দিলাম আপনি যদি ৫ জানুয়ারি মধ্যে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ না করেন, তবে বাংলার মাটি থেকে আপনাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।’
নাসিম বলেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের প্রেমে মগ্ন আছেন। এ জন্য কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরের পর পাকিস্তানের সংসদে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করার পর সারা দেশ নিন্দা জানালেও তিনি কোনো নিন্দা জানাননি। কারণ মানুষ প্রথম প্রেম ভুলতে পারেন না। তিনিও পারেননি। এ কারণেই তিনি নিন্দা জানাননি।
দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন প্রমুখ।
Posted ২২:৩৮ | মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin