| শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ | প্রিন্ট
ঢাকা: ‘জোট-মহাজোটের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার লুণ্ঠনতন্ত্রই মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতির জন্ম দিয়েছে’, বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মী-শ্রমিক-পেশাজীবীরা।
শুক্রবার বিকালে জাতীয় যাদুঘরের সামনে ‘মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি ও লুটপাটের রাজত্বের অবসান চাই’ এবং ‘গণতান্ত্রিক সংবিধান চাই’ দাবিতে এক সমাবেশে বক্তরা এ মন্তব্য করেন।
বক্তরা বলেন, ‘জনগণের গণতান্ত্রিক সংবিধান ছাড়া বর্তমান সঙ্কটের নিরসন অসম্ভব।’
এ সময় বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ, বিশিষ্ট গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব নুরুল কবীর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি প্রমুখ।
বক্তারা আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে আজ দুই জোটের লুণ্ঠনের জমিদারী কায়েম হয়েছে। একদল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একতরফা নির্বাচনের আয়োজন করেছে, আরেকদল ক্ষমতায় যাবার জন্য দেশ অচলের কর্মসূচি দিয়েছে। এর মাঝে পুড়ে মারা যাচ্ছে নিরীহ মানুষ, পুলিশের নির্বিচার গুলির শিকার হচ্ছেন জনগণ।’
ক্ষমতায় যাবার মতলবে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলেছে অভিযোগ করে বক্তরা বলেন, ‘কিন্তু ক্ষমতায় এসে একই লুণ্ঠনের রাজত্ব টিকিয়ে রাখার মতলবে সংবিধানের কোন মৌলিক সংস্কারের কথা বলছে না তারা। বাংলাদেশে যে দলই ক্ষমতায় আসে, লুণ্ঠনের রাজত্বই কায়েম করে।’
বক্তারা বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে জনগণের সংবিধান প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই সংগঠিত করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
Posted ১৫:৩৬ | শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin