| রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩ | প্রিন্ট
ঢাকা: সারা দেশে পাখি শিকারের মতো মানুষ হত্যা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ভিন্ন বেশধারী’দের বিষয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম হয়েছে।
রোববার দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব দাবি করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, “সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে গুলি চালিয়ে পাখির মতো মানুষ হত্যা করছে। প্রতি দুই ঘণ্টায় একজন মানুষকে হত্যা করা দুনিয়ার ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা। রক্তে ভাসছে দেশ।” আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ভিন্ন পোশাকধারীদের বিষয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন জন্মেছে বলে তিনি দাবি করেন।
জামায়াত নেতা বলেন, “সরকার একদিকে গুলি করে মানুষ হত্যা করছে, অন্যদিকে নির্বাচনের নামে তামাশা করছে। ইতিমধ্যে জোটের ১৫৪ জন নির্বাচন ছাড়াই বিজয়ী হয়ে এক নতুন কলঙ্কিত ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। গণতন্ত্র, সংবিধান ও মানুষের সঙ্গে এটা এক নির্মম পরিহাস।”
জামায়াতের এই নেতা বলেন, “স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য যখন দেশের মানুষ নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছে, তখন সরকার গণহত্যা, গণগ্রেফতার, গণনির্যাতন চালিয়ে নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতায় থাকার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক ভোটের জন্য নির্ধারিত তারিখের আগেই নির্বাচনের নাটকে বিজয়ীদের নাম ঘোষিত হচ্ছে। নির্বাচনের নামে এ তামাশার নাটক বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছে।”
ক্ষমতা জবরদখল করার ছক জনতার প্রতিরোধে চুর্ণ হয়ে যাবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, “ইতিমধ্যে সারা দেশে সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। সরকার কার্যত অচল।” তিনি বলেন, “জনগণের মধ্যে ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আকাশে হেলিকপ্টারের মহড়া দিয়ে এ অচল অবস্থার নিরসন করা যাবে না। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের পদত্যাগের মাধ্যমেই এ সমস্যার সমাধান হতে পারে।”
Posted ২১:০৪ | রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin