সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে একজন সার্বক্ষণিক চিকিৎসককে প্রকৌশলী পদে বসিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ঘটনায় এ হাসপাতালের সাধারণ চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী থেকে শুরু করে খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনেকে বিস্ময় ও ক্ষোভ ব্যক্ত করেন।
অভিনব এ পদায়নপ্রাপ্ত হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. মো. নজরুল ইসলামের (কোড নম্বর-১০৩৭৪৩) নতুন পদবি হয়েছে ‘বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার’। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ডা. নজরুল জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ নিয়োগ দেয় এবং অন্য হাসপাতালেও এমন নজির আছে।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. মজিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে একজন চিকিৎসককে প্রকৌশলী পদে পদায়ন করেছে। এখানে আমার করার কিছু নেই, এমনকি অধিদপ্তর থেকে আমার কোনো মতামত বা পরামর্শও নেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার শিফায়েত উল্লাহর বক্তব্য, এ পদায়নের বিষয়টি আমার নজরে নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।
সংগত স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরিপত্রে পদের যোগ্যতা অনুসারে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা আছে, ‘বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার পদের জন্য সরকার অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং পাস এবং সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বায়োমেডিক্যাল/ইলেকট্রা মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি মেরামত/রক্ষণাবেক্ষণের ওপর কমপক্ষে পাঁচ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।’ কিন্তু ডা. মো. নজরুল ইসলাম এ শর্ত পূরণ না করে বনে গেছেন ইঞ্জিনিয়ার।
For News : news@shadindesh.com