| শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৩ | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম : আন্দোলনের ধারায় পরিবর্তন আনার কথা জানিয়ে তিন পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ‘আন্দালন হবে তিন পদ্ধতিতে। যারা মনোনয়ন নিয়ে এলাকায় আসবে তাদের বিরুদ্ধে একরকম ব্যবস্থা, নির্বাচনের সঙ্গে যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আরেক রকম ব্যবস্থা আর যে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবৈধ নির্বাচনে সহযোগিতা করবে তাদের বিরুদ্ধে অন্য রকম ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবার প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।’
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮ দলীয় জোট চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে শুক্রবার বিকেলে দলীয় কার্যালয়ের সামনে নুর আহমদ চৌধুরী সড়কে এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৮ দলীয় নেতাকর্মীদের আরামকে হারাম করে সার্বক্ষণিক রাজপথ দখলের নির্দেশ দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘আগামী ৪৫ দিন প্রত্যেক এলাকায় এলাকায় নেতাকর্মীদের সৈনিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজপথ পাহাড়া দিতে হবে। যারা একদলীয় নির্বাচনে যাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, তাদের প্রতিহত করা হবে।’
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘জনগণের এখন একদফা এক দাবি, শেখ হাসিনা কবে যাবি। ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে হাসিনাকে হটাতে হবে। নির্বাচন প্রতিহত করতে হবে। গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে। সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। জয় আমাদের অবশ্যই হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় জনগণ যে আন্দোলনের সঙ্গে আছে সে আন্দোলন কখনো পরাজিত হয় না। যারা নিপীড়ন নির্যাতন করছে, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের কারাগারে পাঠাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করতে হবে। নিপীড়ন নির্যাতন করে এই সরকার টিকে থাকতে পারবে না। জনগণ তাদের পতন ঘটাবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া কোনো নির্বাচন এই দেশের মাটিতে হবে না।’
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, ‘যারা বঙ্গভবনে গিয়ে সর্বদলীয় সরকারের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন তাদেরকে এলাকায় গেলে প্রতিহত করা হবে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সংবিধানকে চরমভাবে লঙ্ঘন করেছেন। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে সংবিধান লঙ্ঘনে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খন্দকার, জামায়াত নেতা অধ্যাপক এহসান উল্ল্যাহ, এএম নাজিম উদ্দিন, সামশুল আলম, মাহবুবুর রহমান শামীম, আবু সুফিয়ান, সাবেক কাউন্সিলর সামশুল আলম, এমএ ছবুর, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আলহাজ্ব এমএ আজিজ, জাহাঙ্গীর আলম, কাজি বেলাল, কাউন্সিলর মনোয়ার বেগম মনি, জাগপা সভাপতি আবু মোজাফ্ফর মোহাম্মদ আনাস, ইসকান্দর মির্জা, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, এসএম সাইফুল আলম, জাকারিয়া সেলিম, হারুন জামান, নাজিমুর রহমান, শাহ আলম, মোশারফ হোসেন দিপ্তী, জয়নাল আবেদীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, আহম্মেদুল আলম চৌধুরী রাসেল প্রমুখ।
Posted ১৬:৪০ | শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৩
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin