| মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৪ | প্রিন্ট
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, কোনো রাষ্ট্রদূতের ক্ষমতা নেই অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব মেটানোর। নিজেদের সংকট নিজেদেরই মেটাতে হবে।
ক্ষমতার লোভে কোনো এক রাষ্ট্রদূতের (ড্যান মজিনা) কাছে বেগম জিয়া আত্মসমর্পণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন সৈয়দ আশরাফ।
সাতক্ষীরায় যৌথবাহিনীর অভিযান সম্পর্কে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। তা নাহলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় যৌথবাহিনীর অভিযান সম্পর্কে সোমবার সোহাওয়ার্দী উদ্যানে খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘আপনারা দেখেছেন কীভাবে মানুষকে নির্যাতন করেছে। আদৌ যৌথবাহিনী ছিল কি-না, সেটা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ আছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও অন্য বাহিনী এতো নিষ্ঠুর হবে, এটা নিয়ে মানুষের সন্দেহ রয়েছে।’
আশরাফ বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) সুপরিকল্পিতভাবে সমাবেশে জামায়াতকে আড়াল করেছেন। কিন্তু সেখানে জামায়াতের চিহ্নিতরা না থাকলেও শিবির ক্যাডাররা অস্ত্রসহ ছিলো।
তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খালেদা জিয়া বলেছেন- ‘তার সময়ে কোন কোনো সন্ত্রাস ছিল না।’ অথচ তার সময়ে ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ কিবরিয়া, আহসান উল্লাহ মাস্টার ও চট্টগ্রামের মমতাজ হত্যাকান্ড ঘটেছে। এক সঙ্গে ৬৩ জেলায় বোমা ফুটেছিল। বাংলা ভাই’র আর্বিভাব হয়েছিল।
বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির হাইকমান্ডের কোনো ঠিক নেই। দুই জায়গা থেকে দুই রকম বক্তব্য আসে। বাম যা চায়, ডান তাতে রাজি না, আবার ডান যা চায়, বাম তাতে রাজি না। দলের কেন্দ্রবিন্দু কোথায় বাংলাদেশের মানুষ তা জানতে চায়। তারেক রহমান বলছেন, এ সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়। আবার খালেদা জিয়া বলছেন, আলোচনা করতেই হবে। তারা সব সময় মানুষকে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রাখতে চান।
এ সময় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
Posted ১৫:০০ | মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৪
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin