শনিবার ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট   |   রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সমস্যার সমাধান করতে প্রয়োজনে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গেও দেখা করবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

তিনি জানিয়েছেন, খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প। সুযোগ পেলেই বৈঠক করবেন। তবে ইরান প্রসঙ্গে আমেরিকার অবস্থানও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রুবিও। এখনই ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা নিয়ে সুর নরম করছে না ওয়াশিংটন।

রুবিও জানিয়েছেন, কখনওই ইরানকে পরমাণু শক্তিধর হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে মার্কিন অবস্থান প্রথম থেকেই স্পষ্ট। ইরানের হাতে পরমাণু বোমা এলে তা আঞ্চলিক এবং সমগ্র বিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে। এই ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। তবে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক পদ্ধতিতেই সমস্যার সমাধান করতে আগ্রহী ওয়াশিংটন।

রুবিওর কথায়, ‘‘ইরানকে পরমাণু অস্ত্র পেতে দেওয়া হবে না কখনও। এটা স্পষ্ট। তবে কূটনীতির মাধ্যমেই সমাধানে আমরা আগ্রহী।’’

তাহলে কেন পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েন করেছে আমেরিকা? রুবিও জানান, অতীতে আমেরিকার স্বার্থের উপর একাধিক বার আঘাত করেছে ইরান। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই সেনার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানের আশপাশে পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েন করে চলেছে আমেরিকা। পারস্য উপসাগরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন।

ট্রাম্প প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন, দ্বিতীয় রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ থেকে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে আমেরিকার বাহিনী। ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই আক্রমণ করা হবে। এই পরিস্থিতিতে রুবিও জানালেন, পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য আদৌ সংঘাত বৃদ্ধি নয়। বরং আমেরিকার সেনা এবং কাঠামোর উপর ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধ করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। কূটনীতিই তার প্রশাসনের অগ্রাধিকার।

মার্কো রুবিও বলেন, ‘‘আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের জন্য কাজ করি, যিনি সকলের সঙ্গে দেখা করতে প্রস্তুত। আমাদের প্রেসিডেন্ট সবসময় চুক্তি ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চান।’’

সুযোগ এলে খামেনির সঙ্গেও ট্রাম্প দেখা করবেন, জানিয়েছেন রুবিও। তবে ট্রাম্প খামেনেইয়ের মুখোমুখি বসলেও ইরানের পরমাণু পরিকল্পনা নিয়ে আমেরিকার অবস্থান বদলাবে না, স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। যদি ভবিষ্যতে তেমন কোনও বৈঠক হয়, তা হবে সংঘাত থামানোর স্বার্থে। ইরানের দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে তাদের উপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেবে না আমেরিকা।

ইরান এবং আমেরিকার আধিকারিকদের মধ্যে ওমানে এক দফা আলোচনা হয়েছে। সুইজারল্যান্ড জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে ওমানে ফের এই দুই দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। সূত্র: আনন্দবাজার

advertisement

Posted ০৬:৫২ | রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Swadhindesh -স্বাধীনদেশ |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

Advisory Editor
Professor Abdul Quadir Saleh
Editor
Advocate Md Obaydul Kabir
This newspaper (Swadhindesh) run by Kabir Immigration Ltd
যোগাযোগ

Bangladesh Address : Moghbazar, Ramna, Dhaka -1217, Europe Office: 552A Coventry Road ( Rear Side Office), Small Heath, Birmingham, B10 0UN,

ফোন : 01798-669945, 07960656124

E-mail: news@swadhindesh.com, swadhindesh24@gmail.com