| শনিবার, ১৫ মার্চ ২০১৪ | প্রিন্ট
ঢাকা, ১৫ মার্চ : তৃতীয় দফায় উপজেলা নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরা সন্ত্রাস ও সহিংসতা চালিয়ে ভোটকেন্দ্র দখলের মহোৎসব করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৮১ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা সরকারি সন্ত্রাসী বাহিনীর সহায়তায় কিভাবে ব্যালট বাঙ ছিনতাই করে সিল মেরেছে- তা আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমের কল্যাণে দেখতে পেয়েছি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ফেনীর দাগনভূঁইয়া, বরিশালের মুলাদী ও বাবুগঞ্জ, নড়াইলের লোহাগড়া, রাজশাহীর দুর্গাপুর ও চারঘাট, নেত্রকোণা সদর, বাগেরহাট সদর, মংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, যশোরের মনিরামপুর, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, শরীয়তপুর সদর, পিরোজপুর সদর, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড, কুড়িগ্রাম সদরে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাঙে ভরেছে। ক্ষমতাসীনরা স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে এসব অনিয়ম করেছে।
নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগে করলেও এসব এলাকায় ভোটগ্রহণ স্থগিত বা অন্য কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, জনগণের ওপর অব্যাহত নির্যাতন বজায় রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জনসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের পরিবর্তে ডাকাত দলের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তাই তাদের সব ধরনের কর্মকান্ডের মধ্যে দুর্বৃত্তপনা দেখা যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সরকার দেউলিয়াত্বের সর্বশেষ স্তরে পৌঁছে গেছে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, সরকার রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সর্বক্ষেত্রে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে। জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে এখন সন্ত্রাস আর গুন্ডামির ওপর ভর করে দেশ চালাচ্ছে। তারা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চায় না। কারণ, তাদের জনগণের প্রয়োজন নেই। উপজেলা নির্বাচনে নির্লজ্জ ভোট ডাকাতি এর প্রমাণ।
সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান, সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করীম শাহীন প্রমুখ।
Posted ২০:০৯ | শনিবার, ১৫ মার্চ ২০১৪
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin