| শনিবার, ২২ মার্চ ২০১৪ | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কারো মনোরঞ্জনের জন্য কথা বলে না বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “আপনি খুশি হোন অথবা রাগ করেন, কমিশন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবে। এ নিয়ে কথা বলবার অধিকার ও ক্ষমতা কমিশনের আছে। তাই অকারণে ভুল বোঝবার কোনো সুযোগ নেই।”
শনিবার দুপুরে ঢাকার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইন কমিশন আয়োজিত বৈষম্য বিলোপ আইনের খসড়া নিয়ে আয়োজিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সরকারের সমালোচনায় করায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তার সমালোচনা করে তাকে বিএনপি-জামায়াতপন্থী বুদ্ধিজীবী হিসেবে ইঙ্গিত করেন।
মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, “মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না এমন চিন্তা থেকেই বৈষম্য বিলোপ আইনটি করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ধর্ম, বণ গোত্র বা অন্য কোন কারণে মানুষ বৈষম্যের শিকার হবে না। মানুষ হিসেবে তাদের মর্যাদা রক্ষা পাবে।”
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, আইনটি নিয়ে আরো আলাপ আলোচনার প্রয়োজন আছে। সবার পরামর্শগুলো বিবেচনায় নিয়ে আইনটিকে পরিপূর্ণ করতে হবে, মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সরকারের চলতি মেয়াদেই এ আইনটিকে চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
তবে, আইনটি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে সময় ক্ষেপনে বিপক্ষে আইন কমিশন চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। দুই সপ্তাহের মধ্যে খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী আইন সংশোধন হতেই পারে। তাই বসে থাকা যুক্তিযুক্ত হবে না। পাশাপাশি দ্রুত তার বাস্তবায়নের দাবিও জানান তিনি।
Posted ১২:৩৬ | শনিবার, ২২ মার্চ ২০১৪
Swadhindesh -স্বাধীনদেশ | admin