সোমবার ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস

  |   বুধবার, ২৬ মার্চ ২০১৪ | প্রিন্ট

sretesod

এরশাদুল বারী : ২৬ মার্চ আজ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। আজ থেকে ৪৩ বছর আগে ১৯৭১ সালের এ দিনটিতে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। দীর্ঘ নয় মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা। জাতি পেয়েছিল একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত। 

আজকের এই ঐতিহাসিক দিনটিতে স্বাধীনতা উত্সবের আমেজে গোটা দেশ আজ মেতে উঠবে। আজ সরকারি সাধারণ ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা দেশবাসীকে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদিকে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত’ পরিবেশন কর্মসূচি এ বছরের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। একই সঙ্গে একসঙ্গে তিন লাখ মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এতে সহযোগিতা করছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

বাঙালি জাতীর হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্জন এ স্বাধীনতা। তবে সময়ের আবর্তে চার দশকেরও বেশি পেরিয়ে এবার এমন একটি আমরা দিবসটি পালন করছি যখন শাসকদল আওয়ামী লীগ দেশি-বিদেশি সব মহলকে উপেক্ষা করে ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হয়েছেন। নির্লিপ্ত ও ব্যর্থ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কয়েক দফায় উপজেলা নির্বাচনের নামে নজিরবিহীন ভোট জালিয়াতির উত্সব চলছে দেশজুড়ে। জননিরাপত্তার নামে পুলিশ প্রশাসন নির্বিচারে গণহত্যায় লিপ্ত। ক্ষমতাসীনদের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর নগ্নভাবে আঘাত হানা হচ্ছে। রাষ্ট্রের সব শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর চালানো হচ্ছে চরম নির্যাতন। প্রতিনিয়ত বিরোধী দল-মতের মানুষদের ওপর ঘটছে হামলা-মামলার ঘটনা। অধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে দেশের আইনকে ব্যবহার করা হচ্ছে ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে। সত্য বলার অপরাধে টুঁটি চেপে ধরা হচ্ছে গণমাধ্যমের। আইন উপেক্ষা করে শাস্তি দেয়া হচ্ছে সাংবাদিকদের। সারাদেশের চলছে লাগামহীন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষ দিশেহারা। সব মিলিয়ে এক সীমাহীন নৈরাজ্য এবং চরম অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে সব ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী-পেশার মানুষকে। তবুও প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে আসে নতুন প্রেরণা নিয়ে।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। সশস্ত্র বাহিনী, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। জাতীয় প্যারেড ময়দানে লাখো কণ্ঠে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার অনুষ্ঠান। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল থেকে সরকারি-বেসরকারি সব ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীসহ সর্বস্তরের জনগণের পুষ্পস্তবক অর্পণ, সেমিনার, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। রাজধানীর সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলো জাতীয় পতাকাসহ রঙ-বেরঙের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছে। রাতে ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হবে। এছাড়া এ দিবস উপলক্ষে জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশনসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো স্বাধীনতা দিবসের তাত্পর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। এছাড়াও নৌকাবাইচ, নির্দিষ্ট স্থানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ রাইফেল, আনসার ও ভিডিপির বাদক দল বাধ্য বাজাবে। বিনা টিকিটে সিনেমা হলগুলোতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা দেখানো, দেশের সব জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
স্বাধীনতার পটভূমি
দীর্ঘকালের পরাধীনতার শৃঙ্খল, শোষণ-বঞ্চনা, অত্যাচার-অনাচারের নাগপাশ ছিন্ন করতে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এ জনপদে জ্বলে উঠেছিল স্বাধীনতার অনির্বাণ শিখা। একাত্তরের মার্চ মাস শুরু হতেই স্বাধীনতাকামী জাতি শুরু করে আন্দোলন সংগ্রাম। ৭১-এর মার্চ দেশজুড়ে বিক্ষোভ, উত্তাল রাজপথ, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের সংলাপ, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত গণহত্যার মধ্য দিয়ে চলতে থাকে একেকটি দিন। মুক্তিকামী মানুষ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবুর রহমানসহ রাজনৈতিক নেতাদের আহ্বানে ঐক্যবদ্ধ হতে থাকেন। সারাদেশে বেজে ওঠে রণদামামা। সবাই চাচ্ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষণা। ২৫ মার্চে অপারেশন সার্চ লাইটের পৈশাচিক গণহত্যার পর সেই দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে। এরকম এক শ্বাসরুদ্ধকর মুহূর্তে চট্টগ্রামের ষোলশহরে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গলে বাংলাদেশী সৈনিকদের নিয়ে বিদ্রোহ করেন তত্কালীন মেজর জিয়াউর রহমান। এরপর তিনি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

৪৩ বছর আগে এ দিনে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় জাতিকে এনে দিয়েছিল আত্মপরিচয়ের একমাত্র ঠিকানা। স্বাধীনতা অর্জনের দীর্ঘ পথপরিক্রমা মোটেও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মার্চ মাসের অসহযোগ আন্দোলন ও ২৫ মার্চ ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার পর ২৬ মার্চের সূর্যোদয় বয়ে এনেছিল বহু প্রতীক্ষিত স্বাধীনতা, এ দিনই সূচিত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এদেশের মানুষ সরকারবিরোধী সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেয়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও তত্কালীন স্বৈরাচারী সরকার আওয়ামী লীগের সরকার গঠনে টালবাহানা শুরু করে। ছলচাতুরী ও কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান একাত্তরের ৩ মার্চ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্ধারিত অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। রেডিওতে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে গোটা জাতি। শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তার পাশে এসে দাঁড়ান মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ঢাকাসহ সারাদেশের স্কুল-কলেজ, মাদরাসা-বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, কল-কারখানা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। অচল হয়ে পড়ে দেশ। স্বাধীনতা আদায়ের ইস্পাতকঠিন দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন দিন দিন তীব্র হয়ে উঠতে থাকে। রেসকোর্স ময়দানে ৭ মার্চের ভাষণের পর স্বাধীনতার জন্য উন্মুখ জাতি চূড়ান্ত সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করে। পাকিস্তানি সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্র, শ্রমিক, কৃষকসহ সর্বস্তরের মানুষ। এদেশের মানুষের স্বাধীনতার আন্দোলন দমন করতে একাত্তরের ২৫ মার্চ দখলদার বাহিনী ঢাকাসহ সমগ্র দেশে মানব ইতিহাসের বর্বরতম হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ওইদিন সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন। তার নির্দেশে ২৫ মার্চ মধ্য রাতে নিরস্ত্র ছাত্র, জনতা, পুলিশ ও ইপিআর সদস্যদের ওপর দখলদার বাহিনী নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। গুলির গগনবিদারি শব্দ ও চারদিকে আগুনের লেলিহান শিখায় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী 

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে দেশ-বিদেশে বসবাসরত সব নাগরিককে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসে বসবাসরত দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বাংলাদেশের উন্নয়নবিরোধী যে কোনো অপতত্পরতা নস্যাত্ করতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসী সব বাঙালিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার গভীর চক্রান্ত চলছে। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার অপতত্পরতায় লিপ্ত দেশি-বিদেশি চিহ্নিত মহল। 

সব ষড়যন্ত্র চক্রান্ত প্রতিহত করে দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে এবার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজল প্রত্যুষে রাজধানীতে একত্রিশ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে।

রষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এছাড়াও বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজসহ বিভিন্ন শরীরচর্চা প্রদর্শন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রমসহ এ ধরনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং রাতে আলোকসজ্জা করা হবে।

দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। এদিন রাজধানীর সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকাসহ নানা রঙের পতাকা দিয়ে সাজানো হবে।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আজ বিকালে রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টুঙ্গীপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করবে আওয়ামী লীগ। আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। আলোচনা করবেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়াও জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, এলডিপি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, গণফোরামসহ বিভিন্ন যুব ও ছাত্র সংগঠন মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

advertisement

Posted ০৮:৩২ | বুধবার, ২৬ মার্চ ২০১৪

Swadhindesh -স্বাধীনদেশ |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

Advisory Editor
Professor Abdul Quadir Saleh
Editor
Advocate Md Obaydul Kabir
This newspaper (Swadhindesh) run by Kabir Immigration Ltd
যোগাযোগ

Bangladesh Address : Moghbazar, Ramna, Dhaka -1217, Europe Office: 552A Coventry Road ( Rear Side Office), Small Heath, Birmingham, B10 0UN,

ফোন : 01798-669945, 07960656124

E-mail: news@swadhindesh.com, swadhindesh24@gmail.com